Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রকল্প

১। ৫ বছর মেয়াদী বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র।

২। ৩ মাস অন্তর মুনাফা ভিত্তিক সঞ্চয়পত্র।       

৩। পরিবার সঞ্চয়পত্র ।

৪। পেনশনার সঞ্চয়পত্র।

 

প্রকল্পসমূহ

 

 

৫-বছর মেয়াদী বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র

প্রবর্তনঃ ১৯৭৭ খ্রিঃ

 

মূল্যমানঃ

১০ টাকা; ৫০ টাকা; ১০০ টাকা; ৫০০ টাকা; ১,০০০ টাকা; ৫,০০০ টাকা; ১০,০০০ টাকা; ২৫,০০০ টাকা; ৫০,০০০ টাকা; ১,০০,০০০ টাকা; ৫,০০,০০০ টাকা এবং ১০,০০,০০০ টাকা।

 

কোথায় পাওয়া যায়ঃ

জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ তফসিলী ব্যাংকসমূহ এবং ডাকঘর থেকে ক্রয় ও নগদায়ন করা যায়।

 

মেয়াদঃ

৫ (পাঁচ) বছর।

 

মুনাফার হারঃ

মেয়াদান্তে 11.28%মুনাফা । মেয়াদপূর্তির পূর্বেও নগদায়ন করা যায়; সেক্ষেত্রে ১ম বছরান্তে ৯.35%, ২য় বছরান্তে 9.80%, ৩য় বছরান্তে10.25%, ৪র্থ বছরান্তে 10.75% হারে মুনাফা প্রাপ্য হবে।

 

যারা ক্রয় করতে পারবেনঃ

(ক) সকল শ্রেণী ও পেশার বাংলাদেশী নাগরিক;

 

(খ) আয়কর বিধিমালা, ১৯৮৪ (অংশ-২) এর বিধি ৪৯-এর উপ-বিধি(২) এ সংজ্ঞায়িত স্বীকৃত বভিষ্য তহবিল এবং ভবিষ্য তহবিল আইন, ১৯২৫(১৯২৫ এর ১৯ নং) অনুযায়ী ভবিষ্য তহবিল;

 

(গ) আযকর আধ্যাদেশ-১৯৮৪ এর ৬ষ্ঠ তফষিল  এর পার্ট এ এর অনুচ্ছেদ ৩৪ অনুযায়ী মৎস খামার, হাঁস-মুরগীর খামার, পেলিটেট পোলট্রি ফিডস উৎপাদন, বীজ উৎপাদন, স্তানীয় উৎপাদিত বীজ বিপণন, গবাদি পশুর খামার, দুগ্ধ ও দুগ্দজাত দ্রব্যের খামার, ব্যাঙ উৎপাদন খামার, উদ্যান খামার প্রকল্প, রেশম গুটিপোকা পালনের খামার, ছত্রা উৎপাদন এবং ফল ও লতা পাতার চাষ হতে অর্জিত আয়-যা সংশ্লিষ্ট উপ-কমিশনার কর্তৃক প্রত্যায়নকৃত।

 

ক্রয়ের ঊর্ধ্বসীমাঃ

(ক)       ব্যক্তির ক্ষেত্রেঃ একক নামে ৩০ লক্ষ অথবা যুগ্ম-নামে ৬০ লক্ষ টাকা।

(খ)        প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেঃ ঊর্ধ্বসীমা নেই।

 

অন্যান্য সুবিধাসমূহঃ

(ক)       এক মেয়াদের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনঃবিনিয়োগ সুবিধা বিদ্যমান;

(খ)        নমিনী নিয়োগ করা যায়;

(গ)        হারিয়ে গেলে, পুড়ে গেলে বা নষ্ট হলে ডুপ্লিকেট সঞ্চয়পত্র ইস্যু করা যায়;

(ঘ)        ক্রয়কৃত সঞ্চয়পত্র এক অফিস হতে অন্য অফিসে স্থানান্তর করা যায়;

(ঙ)        ক্রেতা মৃত্যুবরন করলে নমিনী তাৎক্ষানিক অথবা মেয়াদান্তে সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করতে পারবে;

(চ)        সঞ্চয়পত্র হারিয়ে গেলে, চুরি হলে, পুড়ে গেলে বা কোন কারনে বিনষ্ট হয়ে গেলে ডুপ্লিকেট সঞ্চয়পত্র ইস্যু করা যায়;

(ছ)        নাবালকের পক্ষেও ক্রয় করা যায় ইত্যাদি।

 

৩-মাস অন্তর মুনাফা ভিত্তিক সঞ্চয়পত্রঃ

প্রবর্তনঃ ১৯৯৮ খ্রিঃ

 

মূল্যমানঃ

১,০০,০০০ টাকা, ২,০০,০০০ টাকা, ৫,০০,০০০ টাকা ও ১০,০০,০০০ টাকা।

 

কোথায় পাওয়া যায়ঃ

জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ তফসিলী ব্যাংকসমূহ এবং ডাকঘর থেকে ক্রয় ও নগদায়ন করা যায়।

 

মেয়াদঃ

৩ (তিন) বছর।

 

মুনাফাঃ

মেয়াদান্তে মুনাফা 11.04%। প্রতি ৩-মাস অন্তর মুনাফা উত্তোলন করা যায়। ১ (এক) লক্ষ টাকায প্রতি ৩ (তিন) মাস অন্তর 2760/- টাকা উত্তোলন করা যায়্। মেয়াদপুর্তির পূর্বে নগদায়ন করলে ১ম বছরান্তে 10.00%, ২য় বছরান্তে 10.50% হারে মুনাফা প্রাপ্য হবে এবং অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধিত হয়ে থাকলে তা মূল টাকা হতে কর্তন করে সমন্বয়পূর্বক অবশিষ্ট মূল টাকা পরিশোধিত হবে।

 

যারা ক্রয় করতে পারবেনঃ

সকল শ্রেণী ও পেশার বাংলাদেশী নাগরিক।

 

ক্রয়ের ঊর্ধ্বসীমাঃ

একক নামে ৩০ লক্ষ অথবা যুগ্ম-নামে ৬০ লক্ষ টাকা ক্রয় করা যাবে।

 

 অন্যান্য সুবিধাসমূহঃ

(ক) ত্রৈমাসিকভিত্তিতে মুনাফা প্রদেয়;

(খ) নমিনী নিয়োগ করা যায়;

(গ) হারিয়ে গেলে, পুড়ে গেলে বা নষ্ট হলে ডুপ্লিকেটসঞ্চয়পত্র ইস্যু করা যায়;

(ঘ) ক্রয়কৃত সঞ্চয়পত্র একস্থান হতে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা যায়;

(ঙ) ক্রেতা মৃত্যুবরন করলে নমিনী ৩-মাস অন্তর মুনাফা উত্তোলন ও সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করতে পারবেন;

(চ) সঞ্চয়পত্র হারিয়ে গেলে, চুরি হলে, পুড়ে গেলে বা কোন কারনে বিনষ্ট হয়ে গেলে ডুপ্লিকেট সঞ্চয়পত্র ইস্যু করা যয়।

 

পেনশনার সঞ্চয়পত্রঃ

প্রবর্তনঃ ২০০৪ খ্রিঃ

 

মূল্যমানঃ

৫০,০০০ টাকা, ১,০০,০০০ টাকা, ২,০০,০০০ টাকা, ৫,০০,০০০ টাকা এবং ১০,০০,০০০ টাকা।

 

কোথায় পাওয়া যায়ঃ

জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ তফসিলী ব্যাংকসমূহ এবং ডাকঘর থেকে ক্রয় ও নগদায়ন করা যায়।

 

মেয়াদঃ

৫ (পাঁচ) বছর।

 

মুনাফাঃমেয়াদান্তে মুনাফা 11.76%। প্রতি তিন মাস অন্তর মুনাফা উত্তোলন করা যায়। ১(এক) লক্ষ টাকায প্রতি তিন মাস অন্তর 2940.00 টাকা উত্তোলন করা যায়্। মেয়াদপুর্তির পূর্বে নগদাযন করলে ১ম বছরান্তে 9.70%, ২য় বছরান্তে 10.15%, ৩য় বছরান্তে 10.65%, ৪র্থ বছরান্তে 11.20% হারে মুনাফা প্রাপ্য হবে এবং অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধিত হয়ে থাকলে তা মূল টাকা হতে কর্তন করে সমন্বয়পূর্বক অবশিষ্ট মূল টাকা পরিশোধ করা যাবে।

 

যারা ক্রয় করতে পারবেঃ

(ক)       অবসরপ্রাপ্ত সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্ত্বশাসিত, আধা- স্বায়ত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/কর্মচারী, সুপ্রীম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত মাননীয় বিচারপতিগণ, সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য এবং মৃত চাকুরীজীবীর পারিবারিক পেনশন সুবিধাভোগী স্বামী/স্ত্রী/সন্তান।

 

ক্রয়ের ঊর্ধ্বসীমাঃ

প্রাপ্ত আনুতোষিক ও ভবিষ্য তহবিল হতে প্রাপ্ত একক নামে সর্বোচ্চ ৫০(পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা।

 

অন্যান্য সুবিধাসমূহঃ

(ক)    ত্রৈমাসিকভিত্তিতে মুনাফা প্রদেয়;

(খ)     নমিনী নিয়োগ করা যায়;

(গ)     হারিয়ে গেলে, পুড়ে গেলে বা নষ্ট হলে ডুপ্লিকেট সঞ্চয়পত্র ইস্যু করা যায়;

(ঘ)     সঞ্চয়পত্র যে আফিস হতে ক্রয় করা হবে সমগোত্রীয় অন্য অফিসে ঐ ক্রয়কৃত সঞ্চয়পত্র স্থানান্তর করা যায়;

(ঙ)     ক্রেতা মৃত্যুবরন করলে নমিনী ৩-মাস অন্তর মুনাফা উত্তোলন ও সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করতে পারবেন;

 (চ)    সঞ্চয়পত্র হারিয়ে গেলে, চুরি হলে, পুড়ে গেলে বা কোন কারনে বিনষ্ট হয়ে গেলে ডুপ্লিকেট সঞ্চয়পত্র ইস্যু করা যয়।

 

পরিবার সঞ্চয়পত্রঃ

পুনঃপ্রবর্তনঃ ২০০৯ খ্রিঃ

 

 

মূল্যমানঃ

১০,০০০ টাকা, ২০,০০০ টাকা, ৫০,০০০ টাকা, ১,০০,০০০ টাকা ২,০০,০০০ টাকা ৫,০০,০০০ টাকা এবং ১০,০০,০০০ টাকা।

 

কোথায় পাওয়া যায়ঃ

জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ তফসিলী ব্যাংকসমূহ এবং ডাকঘর থেকে ক্রয় ও নগদায়ন করা যায়।

 

মেয়াদঃ

৫ (পাঁচ) বছর।

 

মুনাফাঃমেয়াদান্তে মুনাফা 11.52%। প্রতি মাসে মুনাফা উত্তোলন করা যায়। ১(এক) লক্ষ টাকায় প্রতি মাসে 960/- টাকা উত্তোলন করা যায়। মেয়াদপুর্তির পূর্বে নগদায়ন করলে ১ম বছরান্তে 9.50%, ২য় বছরান্তে 10.00%, ৩য় বছরান্তে 10.50%, ৪র্থ বছরান্তে 11.00% হারে মুনাফা প্রাপ্য হবে এবং অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধিত হয়ে থাকলে তা মূল টাকা হতে কর্তন করে সমন্বয়পূর্বক অবশিষ্ট মূল টাকা পরিশোধ করতে হবে।

 

যারা ক্রয় করতে পারবেনঃ

১৮(আঠার) ও তদুর্ধ্ব বয়সের যেকোন বাংলাদেশী মহিলা, যেকোন বাংলাদেশী শারীরিক প্রতিবন্ধী (পুরুষ ও মহিলা) এবং ৬৫ (পঁয়ষট্টি) ও তদুর্ধ্ব বয়সের বাংলাদেশী (পুরুষ ও মহিলা) নাগরিকগণ।

 

ক্রয়ের ঊর্ধ্বসীমাঃ

একক নামে সর্বোচ্চ ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) লক্ষ টাকা।

 

অন্যান্য সুবিধাসমূহঃ

(ক)       প্রতিমাসে মুনাফা প্রদেয়;

(খ)        নমিনী নিয়োগ করা যায়;

(গ)        হারিয়ে গেলে, পুড়ে গেলে বা নষ্ট হলে ডুপ্লিকেট সঞ্চয়পত্র ইস্যু করা যায়;

(ঘ)        সঞ্চয়পত্র একস্থান হতে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা যায়;

(ঙ)        ক্রেতা মৃত্যুবরন করলে নমিনী মাসিক মুনাফা উত্তোলন ও সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করতে পারবেন;

 (চ)       সঞ্চয়পত্র হারিয়ে গেলে, চুরি হলে, পুড়ে গেলে বা কোন কারনে বিনষ্ট হয়ে গেলে ডুপ্লিকেট সঞ্চয়পত্র ইস্যু করা যায়।

 

ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক

প্রবর্তনঃ ১৮৭২ খ্রিঃ

 

(ক) ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক-সাধারণ হিসাবঃ

  • মুনাফার হারঃ ৭.৫%
  • বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমাঃ একক হিসাবে ৩০ লক্ষ অথবা যুগ্ম-হিসাবে ৬০ লক্ষ টাকা।
  • যারা বিনিয়োগ করতে পারবেনঃ সকল শ্রেণী ও পেশার বাংলাদেশী নাগরিক।
  • অন্যান্য সুবিধাসমূহঃ

(ক)       নমিনী নিয়োগ করা যায়;

(খ)        এক মাসেরও মুনাফা প্রদেয়;

 

(খ) ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক-মেয়াদী হিসাবঃ

  • মুনাফাঃমেয়াদান্তে (তিন বছর) মুনাফা ১৩.২৪%। তবে ১(এক) বছর, ২(দুই) বছর অথবা ৩(তিন) বছর মেয়াদী হিসাব খোলা যায়। এক্ষেত্রে মুনাফার ১ (এক) বছরের জন্য ১০.৪০%, ২ (দুই) বছরের জন্য ১১.৪০% এবং ৩ (তিন) বছরের জন্য ১৩.২৪%। আমানতকারী ইচ্ছা করলে প্রতি ০৬ (ছয়) মাস অন্তর মুনাফা উত্তোলন করতে পারেন, সেক্ষেত্রে ১ম বছরে ১০.০০%, ২য় বছরে ১০.৫০% এবং ৩য় বছরে ১১.০০% হারে মুনাফা প্রদেয়।

 

  • যারা বিনিয়োগ করতে পারেনঃ সকল শ্রেণী ও পেশার বাংলাদেশী নাগরিক।

 

  • বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমাঃএকক হিসাবে ৩০ লক্ষ অথবা যুগ্ম-হিসাবে ৬০ লক্ষ টাকা।

 

  • অন্যান্য সুবিধাঃ

(ক) নমিনী নিয়োগ করা যায়।

(খ) স্বয়ংক্রিয় পুনঃবিনিয়োগ সুবিধা পাওয়া যায়।

 

ডাক জীবন বীমা

প্রবর্তনঃ ১৮৭২ খ্রিঃ

 

ডাক জীবন বীমা সরকার কর্তৃক পরিচালিত। এ জীবন বীমার গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরুপঃ

 

  • যারা এ বীমা করতে পারেনঃ

(ক) সরকারী, বেসরকারী, আধা-সরকারী ও স্বায়ত্বশাসিত সংস্থার কর্মচারীগণ,

(খ) পদাতিক, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যগণ

(গ) বেসামরিক সশস্ত্র বাহিনী। যেমন- বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ।

  • পলিসির ধরণঃ (ক) জীবন চুক্তি বীমা; (খ) মেয়াদী বীমা; (গ) শিক্ষা মেয়াদী ও বিবাহ বীমা; (ঘ) আকস্মিক মৃত্যু ও চির-অক্ষমতার মঙ্গল বিধান চুক্তি এবং (ঙ) ডাক্তারী পরীক্ষা ছাড়া পলিসি।
  • অন্যান্য সুবিধাসমূহঃ

(ক)       আয়কর রিবেট পাওয়া যায়;

(খ)        প্রিমিয়ামের হার কম বোনাসের পরিমান বেশি;

(গ)        ১০০% ঝুঁকির নিরাপত্তা;

(ঘ)        আকস্মিক মৃত্যু ও চির অক্ষমতার মঙ্গল বিধান চুক্তি;

(ঙ)        ডাক্তারী পরীক্ষা ছাড়া পলিসি।

  • প্রচলিত বোনাসঃ

বীমার শেণী                         প্রতি হাজারে প্রতি বছরে বোনাস

(ক) আজীবন বীমা                          ৪২.০০ টাকা;

(খ) মেয়াদী বীমা                             ৩৩.০০ টাকা।

 

 

বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড

 

  • মূল্যমানঃ১০০ টাকা
  • পুরস্কারঃ১ম পুরস্কার ১ (এক)টি-৬,০০,০০০ টাকা; ২য় পুরস্কার ১ (এক)টি-৩,২৫,০০০ টাকা; ৩য় পুরস্কার ২ (দুই)টি-১,০০,০০০ টাকা প্রতিটি; ৪র্থ পুরস্কার ২ (দুই)টি-৫০,০০০ টাকা প্রতিটি; ৫ম পুরস্কার ৪০ (চল্লিশ)টি-১০,০০০ টাকা প্রতিটি;
  • অন্যান্য তথ্যাবলীঃ

(ক)       তিন মাস অন্তর ড্র (প্রতি জানুয়ারী, এপ্রিল, জুলাই, অক্টোবর মাসের শেষ দিন, তবে শেষ তারিখ সরকারী বন্ধ থাকলে পরবর্তী কর্মদিবসে ড্র অনুষ্ঠিত হয়)।

(খ)        ড্র অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ হতে পরবর্তী ২ (দুই) বছর পযর্ন্ত পুরস্কারের দাবী গ্রহণযোগ্য।

 

ওয়েজ আর্ণার ডেভেলপমেন্ট বন্ড

প্রবর্তন-১৯৮১ খ্রিঃ

 

  • মূল্যমানঃ২৫,০০০ টাকা; ৫০,০০০ টাকা; ১,০০,০০০ টাকা; ২,০০,০০০ টাকা; ৫,০০,০০০ টাকা; ১০,০০,০০০ টাকা এবং ৫০,০০,০০০ টাকা।

 

  • কোথায় পাওয়া যায়ঃবাংলাদেশে তফসিলী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়সহ ঐ সকল শাখা যেখানে ওয়েজ আর্নারদের বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব (এফ.সি একাউন্ট) পরিচালনা করে থাকে, বিদেশে আবস্থিত বাংলাদেশের তফসিলী ব্যাংকের শাখা, এক্সচেঞ্জ হাউস, এক্সচেঞ্জ কোম্পানী থেকে ক্রয় করা যায়।

 

  • মেয়াদঃ৫ (পাঁচ) বছর।

 

  • মুনাফার হারঃ১২.০০ %। ৬-মাস পরপর মুনাফা উত্তোলন করা যায়। তবে ৬ মাস পরপর মুনাফা উত্তোলন করা না হলে চক্রবৃদ্ধি হারে মুনাফা প্রদেয়।

 

  • যারা ক্রয় করতে পারবেনঃ

(ক)       বৈধ ওয়েজ আর্ণার নিজে বা আবেদনপত্রে উল্লেখিত ব্যক্তি বা বাংলাদেশে তার বেনিফিসিয়ারীর নামে বৈদেশিক মুদ্রায় ক্রয় করা যায়;

(খ)        বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে কমর্রত বাংলাদেশ সরকারের কর্মকর্তা/কর্মচারীবৃন্দ।

(গ)        বিদেশী বংশোদ্ভূত বাংলাদেশী নাগরিক।

 

  • ক্রয়ের ঊর্ধ্বসীমাঃঊর্ধ্বসীমা নেই।

 

  • অন্যান্য সুবিধাসমূহঃ

(ক)       এ বন্ডে ৪০% থেকে ৫০% পর্যন্ত মৃত্যু-ঝুঁকির সুবিধা রয়েছে;

(খ)        একাধিক মেয়াদের জন্য স্বয়ংক্রিয় পুনঃবিনিয়োগ সুবিধা বিদ্যমান;

(গ)        বন্ডের বিপরীতে ঋণ গ্রহণের সুবিধা রয়েছে;

(ঘ)        নমিনী নিয়োগ করা যায়;

(ঙ)        বন্ড হারিয়ে গেলে, পুড়ে গেলে বা নষ্ট হলে ডুপ্লিকেট বন্ড ইস্যুর সুযোগ রযেছে;

(চ)        ৮ (আট) কোটি বা তদূর্ধ্ব অংকের বিনিয়োগকারীদের জন্য সি.আই.পি (C.I.P) সুবিধা বিদ্যমান;

(ছ)        বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব (FC Account) থাকার কোন বাধ্যবাধকতা নেই।

 

ইউ.এস. ডলার প্রিমিয়াম বন্ড

প্রবর্তন-২০০২ খ্রিঃ

 

  • মূল্যমানঃমার্কিন ডলার ৫০০; ১,০০০; ৫,০০০; ১০,০০০ এবং ৫০,০০০।

 

  • কোথায় পাওয়া যায়ঃ বাংলাদেশে তফসিলী ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী অনুমোদিত ডিলার শাখাসমূহ, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশী ব্যাংকের শাখাসমূহ, প্রতিনিধি অফিস, এক্সচেঞ্জ হাউস, এক্সচেঞ্জ কোম্পানী থেকে ক্রয় করা যায়।

 

  • মেয়াদঃ ৩ (তিন) বছর।

 

  • মুনাফার হারঃমেয়াদান্তে মুনাফা ৭.৫%। তবে মেয়াদপুর্তির পূর্বে নগদায়ন করা হলে ১ম বছরান্তে ৬.৫০% এবং ২য় বছরান্তে ৭.০০% হরে মুনাফা প্রদেয় হবে।

 

  • যারা ক্রয় করতে পারবেনঃবৈদেশিক মুদ্রার হিসাবধারী অনিবাসী বাংলাদেশী এবং বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত বিদেশী নাগরিকগণ একক নামে এ বন্ড ক্রয় করতে পারবেন।

 

  • ক্রয়ের ঊর্ধ্বসীমাঃঊর্ধ্বসীমা নেই।

 

  • অন্যান্য সুবিধাসমূহঃ

(ক)       এ বন্ডে ১৫% থেকে ২৫% পর্যন্ত মৃত্যু-ঝুঁকির সুবিধা রয়েছে;

(খ)        একাধিক মেয়াদের জন্য স্বয়ংক্রিয় পুনঃবিনিয়োগ সুবিধা বিদ্যমান;

(গ)        ষান্মাসিকভিত্তিক মুনাফা প্রদেয়;

(ঘ)        বন্ডের বিপরীতে ঋণ গ্রহণের সুবিধা রয়েছে;

(ঙ)        নমিনী নিয়োগ করা যায়;

(চ)        হারিয়ে গেলে, পুড়ে গেলে বা নষ্ট হলে ডুপ্লিকেট বন্ড ইস্যুর সুযোগ রযেছে;

(ছ)        ১ (এক) মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা তদূর্দ্ধ অংকের বিনিয়োগকারী সি.আই.পি (C.I.P) সুবিধা পাপ্য হবেন।

            (জ)       বাংলাদেশী মুদ্রায় মুনাফা প্রদেয়।

 

ইউ.এস. ডলার ইনভেষ্টমেন্ট বন্ড

প্রবর্তনঃ ২০০২ খ্রিঃ

 

  • মূল্যমানঃমার্কিন ডলার ৫০০; ১,০০০; ৫,০০০; ১০,০০০ এবং ৫০,০০০।

 

  • কোথায় পাওয়া যায়ঃ বাংলাদেশে তফসিলী ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী অনুমোদিত ডিলার শাখাসমূহ, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশী ব্যাংকের শাখাসমূহ, প্রতিনিধি অফিস, এক্সচেঞ্জ হাউস, এক্সচেঞ্জ কোম্পানী থেকে ক্রয় করা যায়।

 

  • মেয়াদঃ ৩ (তিন) বছর।

 

  • মুনাফার হারঃমেয়াদান্তে মুনাফা ৬.৫%। তবে মেয়াদপুর্তির পূর্বে নগদায়ন করা হলে ১ম বছরান্তে ৫.৫০% এবং ২য় বছরান্তে ৬.০০% হরে মুনাফা প্রদেয় হবে।

 

  • যারা ক্রয় করতে পারবেনঃবৈদেশিক মুদ্রার হিসাবধারী অনিবাসী বাংলাদেশী এবং বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত বিদেশী নাগরিকগণ একক নামে এ বন্ড ক্রয় করতে পারবেন।

 

  • ক্রয়ের ঊর্ধ্বসীমাঃঊর্ধ্বসীমা নেই।

 

  • অন্যান্য সুবিধাসমূহঃ

(ক)       এ বন্ডে ১৫% থেকে ২৫% পর্যন্ত মৃত্যু-ঝুঁকির সুবিধা রয়েছে;

(খ)        একাধিক মেয়াদের জন্য স্বয়ংক্রিয় পুনঃবিনিয়োগ সুবিধা বিদ্যমান;

(গ)        ষান্মাসিকভিত্তিক মুনাফা প্রদেয়;

(ঘ)        বন্ডের বিপরীতে ঋণ গ্রহণের সুবিধা রয়েছে;

(ঙ)        নমিনী নিয়োগ করা যায়;

(চ)        হারিয়ে গেলে, পুড়ে গেলে বা নষ্ট হলে ডুপ্লিকেট বন্ড ইস্যুর সুযোগ রযেছে;

(ছ)        ১ (এক) মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা তদূর্দ্ধ অংকের বিনিয়োগকারী সি.আই.পি (C.I.P) সুবিধা পাপ্য হবেন;

(জ)       মুনাফা মার্কিন ডলারে প্রদেয়। তবে বিনিয়োগকারীর ইচ্ছানুযায়ী বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রদানের সুযোগ রয়েছে।